Previous
Next

সর্বশেষ

Wednesday, November 26, 2025

পেকুয়ায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সড়কে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ: কাজ শেষের আগেই ফাটল!

পেকুয়ায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সড়কে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ: কাজ শেষের আগেই ফাটল!


 নিজস্ব সংবাদদাতাঃ

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অধীনে প্রায় ৬.৫ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক দুর্নীতি ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার আসাদ উল্লাহর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ উঠেছে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের 'বেদারবিল পাড়া থেকে ফুলতলা' পর্যন্ত নির্মাণাধীন আরসিসি (RCC) ঢালাইয়ের কাজ নিয়ে, কাজ শেষ হওয়ার আগেই সড়কের মাঝখানে ফাটল দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে দেখে জানা গেছে, নির্মাণাধীন এই আরসিসি ঢালাইয়ের কাজে নিম্নমানের পাথর, রড (লোহা), সিমেন্ট ও বালুসহ নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে, যার প্রত্যক্ষ ফলস্বরূপ কাজ শেষ হওয়ার আগেই সড়কে ফাটল ধরেছে।

​স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বেশ কিছু অনিয়ম করেই আরসিসি(RCC) ঢালাইয়ের দিচ্ছে বলে,মোঃ আবু তালেব, জিয়াউল হক জিয়া, সাইফুল সহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করে জানান:

"জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক দুর্নীতি হচ্ছে,যার মধ্যে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণেই সড়কে ফাটল দেখা দিয়েছে। দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না, ফলে তারা যেন তেন ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

​অভিযুক্ত ​ঠিকাদার আসাদ  উল্লাহর কাজের দায়িত্বে থাকা নাছির উদ্দীন বলেন,আমরা ভালোভাবে কাজ করছি,তবুও দুই এক জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছি এগুলো আমাদের মতো করে ঠিক করে নিয়েছি বাকি কাজগুলো করার সময়ে আরো নিখুঁতভাবে কাজ করবো।  এমনকি কক্সবাজার থেকে কাজের তদারকি জন্য যারা আসছিলেন তারাও এটার তাগিদ দিয়েছেন।

পেকুয়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী শাহ জালাল জানান.তিনি ফাটল দেখা দেওয়ার কারণ হিসেবে অধিক তাপমাত্রা এবং পানি ধরে রাখার বাঁধ টিকিয়ে রাখতে না পারাকে দায়ী করেছেন।

 তবে তিনি বলেন, "এ বিষয়ে আমি খবর নিচ্ছি, এরপর ঘটনা সত্য হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেব।

Tuesday, November 25, 2025

চট্টগ্রাম কারাগারে বসে অপরাধ সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ ছোট সাজ্জাদ রাজশাহী, স্ত্রী ঢাকায় বিশেষ কারাগারে

চট্টগ্রাম কারাগারে বসে অপরাধ সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ ছোট সাজ্জাদ রাজশাহী, স্ত্রী ঢাকায় বিশেষ কারাগারে


 কারাগারে বসে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের চট্টগ্রামের অপরাধ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ অনেক পুরনো। সেই তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী তামান্না শারমীন। এমন অভিযোগের প্রমাণ মেলায় সাজ্জাদকে রাজশাহী কারাগারে এবং তার স্ত্রী তামান্না শারমীনকে ঢাকা বিশেষ (মহিলা) কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি দৈনিক পেকুয়ার আলোকে নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষ।
গত ১৫ মার্চ গ্রেপ্তার হয়ে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকার পরও চট্টগ্রামে ডাবল মার্ডারসহ একের পর এক হত্যাকাণ্ডে নাম আসছে সাজ্জাদ হোসেন ও তার বাহিনীর। রায়হান, ইমনসহ তার সহযোগী দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীরা সবাই ধরাছোঁয়ার বাইরে। অক্ষত আছে তাদের অস্ত্র ভাণ্ডারও। বিভিন্ন সংস্থা ও পুলিশ জানিয়েছে তার ভাণ্ডারে আছে একে-৪৭সহ অত্যাধুনিক অস্ত্র।
সাজ্জাদ নিজে ব্যবহার করত আমেরিকায় তৈরি দামি পিস্তল। প্রায় ২৫ জন অনুসারী নিয়ে গঠন করেছে নিজের বাহিনী। তাদের এসব অস্ত্র পাহাড়ের সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো থেকে সংগ্রহ করেছে বলে জানান পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আর সেনাবাহিনীর সহযোগিতা ছাড়া এসব অস্ত্র উদ্ধার এক প্রকার অসম্ভব বলে জানায় পুলিশ।
হত্যা, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে দায়ের হওয়া দেড় ডজন মামলার আসামি সাজ্জাদকে ইতিমধ্যে ৩০ দিনের বেশি রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে পুলিশ। কিন্তু তার আলোচিত কোনো সহযোগী কিংবা অস্ত্রের ভাণ্ডারে হাত দিতে পারেনি পুলিশ।
তার ভারী অস্ত্রের হদিস মিলছে না কেন ?’ কালের কণ্ঠের এমন প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিএমপির (চট্টগ্রাম নগর পুলিশ) একজন উপ-কমিশনার জানান, সাজ্জাদের অস্ত্রের উৎস পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। ছোট সাজ্জাদের বাহিনীতে রয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন সক্রিয় সদস্য, তারা অস্ত্রবাজিতে দক্ষ। চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি করে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের থেকে একে-৪৭সহ অত্যাধুনিক মরণাস্ত্র কিনেছে।
এসব অস্ত্র গহীন পাহাড়ে রেখেছে। পুলিশের যে লজিস্টিক সাপোর্ট আছে তাতে পাহাড়ে অভিযান পরিচালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ।

এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি ‘সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় যৌথ অভিযান’ ছাড়া তার অস্ত্র ভাণ্ডারে হাত দেওয়া এই মুহূর্তে ঝুঁকিপূর্ণ। সাজ্জাদ তার সহযোগীদের পাহাড়ে নিয়ে অস্ত্র চালনায় দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলেছে বলেও জানান তিনি। 

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মো. জামালের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন নগরীর বায়েজিদ, অক্সিজেন, চান্দগাঁও এলাকায় পরিচিত ‘ছোট সাজ্জাদ’ বা ‘বুড়ির নাতি’ হিসেবে। কারণ বায়েজিদ, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ এলাকায় আগে থেকেই আছে বিদেশে পলাতক আরেক শীর্ষ সস্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর সাম্রাজ্য। আন্ডার ওয়ার্ল্ডে একই নামে দুই সাজ্জাদ হওয়ায় একজন সাজ্জাদ আলী, আরেকজন ছোট সাজ্জাদ নামে পরিচিতি পায়। বুড়ির নাতি সাজ্জাদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট রাতে বায়েজিদ বোস্তামী থানার অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কে প্রকাশ্যে গুলি করে মাসুদ কায়সার ও মোহাম্মদ আনিসকে হত্যার অভিযোগ আছে। ২১ অক্টোবর প্রকাশ্যে  চান্দগাঁও থানার অদূরপাড়া এলাকায় ব্যবসায়ী আফতাব উদ্দিন তাহসীনকে গুলি করে হত্যা করে সাজ্জাদ।




Wednesday, November 19, 2025

বন্য হাতির আক্রমনে রাবার বাগান মালিক নিহত

বন্য হাতির আক্রমনে রাবার বাগান মালিক নিহত


 নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ ভোর ৫ টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানাধীন ৫ নং সোনাইছড়ী  ইউপির ৭নং ওয়ার্ড নতুন পাড়া পাইয়াঝিড়ি রাবার বাগানের মধ্যে রাবারের কস সংগ্রহ করাকালীন সময় ভিকটিম আব্দুল হক (৪০) পিতা: মৃত মিনাজ উদ্দিন সাং- পূনঃবাসন পাড়া ৮নং ওয়ার্ড  ০২ নং বাইশারী ইউপি, থানা: নাইক্ষ্যংছড়ি জেলা: বান্দরবান হাতির আক্রমনে মারা ঘটনাস্থলে মারা যান।

Monday, November 17, 2025

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় প্রত্যাখান করেছে আওয়ামী-লীগ

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় প্রত্যাখান করেছে আওয়ামী-লীগ

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশে সরকারি নির্দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ।

“আজ যে রায় ঘোষণা করেছে এ রায় বাংলার জনগণ প্রত্যাখ্যান করে। বাংলার জনগণ এ রায় মানে না, মানবে না,” আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় ভিডিও বার্তায় বলেছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক।

তিনি বলেন, “অবৈধ আদালত যে মামলার রায় দিয়েছে সেটি ১৪ অগাস্ট শুরু করে ১৭ই নভেম্বর মামলা শেষ করেছে। ৮৪ জন সাক্ষীকে সামনে রেখে ৫৪ জনকে হাজির করে ২০ দিনে মামলা শেষ করেছে। এই দুই মাসের মধ্যে মাত্র ২০ দিন আদালত চলেছে”।

“এর প্রধান বিচারক গত এক মাস অনুপস্থিত ছিলেন । তারপরেও প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়ে মানুষের প্রিয় নেত্রীর বিরুদ্ধে যে রায় দিয়েছে,” বলছিলেন মি. নানক।

তিনি বলেন, “অচিরেই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করবো”।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পরও রায়ের প্রতিবাদে সারা বাংলাদেশে সকাল-সন্ধ্যা শাটডাউন পালনের ঘোষণাও দেন তিনি।

Saturday, November 15, 2025

আনসার সদস্যের সহযোগিতায় পলাতক প্রতারক ঢাকায় আটক

আনসার সদস্যের সহযোগিতায় পলাতক প্রতারক ঢাকায় আটক


 বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর এক সদস্যের মানবিক ও সাহসী উদ্যোগে কক্সবাজারের চকরিয়া থানার এক পলাতক প্রতারককে রাজধানী ঢাকায় আটক করা হয়েছে। 

ঘটনাটি ঘটেছে ১১ নভেম্বর রাতে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়। অভিযোগভুক্ত আসামির নাম মিনহাজ উদ্দিন (৩৪)। তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া থানার এক প্রতারণায় অভিযুক্ত আসামি। 

জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘Hasan Tipu’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে “প্রতারক ধরিয়ে দিন” শিরোনামে মিনহাজ উদ্দিনের ছবি ও একটি মোবাইল নম্বর (০১৭৭৫-৯২০৪২১) পোস্ট করা হয়। এতে লেখা ছিল এই ব্যক্তি আমার ছোট বোনের স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে গেছে। পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে তা আনসার সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান-এর নজরে আসে। ছবিটি দেখে তিনি মন্তব্য করেন যে, ওই ব্যক্তিকে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের সামনের এলাকায় দেখেছেন বলে মনে হচ্ছে। 

পরে তিনি পোস্টদাতা রবিউল হাসান টিপু-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানতে চান। রবিউল জানান, মিনহাজ আমার ছোট বোনের স্বামী। ২১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সে আমার বোনের স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।

আনসার সদস্য অভিযোগপত্র দেখে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে নিশ্চিত হন। এরপর তিনি ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আবদুল আজিজ রোডের একটি চায়ের দোকানে সন্দেহজনকভাবে মিনহাজকে দেখতে পান।
গোপনে ছবি তুলে রবিউলের কাছে পাঠালে তিনি নিশ্চিত করেন, হ্যাঁ, ছবির ব্যক্তিই মিনহাজ।

পরে রাত আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে রবিউল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মিনহাজের সঙ্গে মুখোমুখি হন। উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হলে আনসার সদস্য বিষয়টি শান্তভাবে মীমাংসা করেন।

ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, আমি ফেসবুকে পোস্ট দেখে সন্দেহ হলে যাচাই করতে যাই। পরে দেখি ছবির ব্যক্তিই মিনহাজ। আমি উভয়ের বক্তব্য শুনে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারের উপস্থিতিতে সমাধানের আশ্বাসে তাদের গাড়িতে তুলে দিই।

পরে মিনহাজ নিজেও স্বীকার করেন যে তিনি রবিউলের শ্যালক এবং স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধান করতে রাজি হন।

ঘটনার পর রবিউল হাসান টিপু কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ আনসার সম্পর্কে আগে আমার ভুল ধারণা ছিল। কিন্তু আজ দেখলাম, তারা জনগণের প্রকৃত বন্ধু। যদি আনসার সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান সহযোগিতা না করতেন, তাহলে মিনহাজ বিদেশে পালিয়ে যেত এবং আমাদের পরিবার ধ্বংস হয়ে যেত।

তিনি আরও বলেন, আমার বোন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল, এখন ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছে। আনসার বাহিনীর কারণে আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব বলে আশা করছি।

Friday, November 14, 2025

বাঁশখালীকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমির শুভ সূচনা

বাঁশখালীকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমির শুভ সূচনা


 নিজস্ব প্রতিবেদক 

মটকা ভাঙ্গা মায়ের দোয়া ভাই ভাই আদর্শ ক্লাব আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় মোকাবিলা করে নাপোড়া ফুটবল একাদশ বাঁশখালী বনাম মগনামার জনপ্রিয় ফুটবল ক্লাব মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমী।

উদ্বোধনী ম্যাচের শুরুর ১০ মিনিটে মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমির মাঝ মাঠের প্রাণভোমরা নবীর হোসেন গোলে এগিয়ে যায়।খেলার শেষ পাঁচ মিনিটে বাঁশখালী গোল পরিশোধ করলে খেলা ১-১ গোলে ড্র হয়।ট্রাইবেকারে মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমী ৪-৩ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে।

একটা ম্যাচে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমির দুর্দান্ত উইঙ্গার কক্সবাজার জেলা দলের অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল প্লেয়ার জিদান।

উদ্বোধনী ম্যাচ পরিচালনা করেন মটকা ভাঙ্গার দুরন্ত ফুটবলার আফসার।

মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমির অফিসিয়াল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উক্ত একাডেমীর পরিচালনা পর্ষদের প্রভাবশালী সদস্য জনাব ফয়জুল করিম মিয়া,খোরশেদুল ইসলাম,খোকন,ওমর সালেহ মাহি।

উক্ত উদ্ভোধনী ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন একসময়ের মগনামার জনপ্রিয় ফুটবলার,বর্তমানে মগনামা ইউ পি সদস্য জনাব নুর মোহাম্মদ।

মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমির নতুন অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন।

মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমির নতুন অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন।

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন মগঘোনা গ্রামের বাসিন্দা বিজিবি সদস্য মোরশেদুল ইসলাম একজন ক্রীড়াপ্রেমি মানুষ, যেখানে বর্তমান জেনারেশনের মানুষ পরিবারকে সময় দিতে পারে না এই ক্রীড়াপ্রেমি মানুষটা ফুটবল খেলার জন্য চাকরির পাশাপাশি নিজেকে খেলার মাঝে বিলিয়ে দিচ্ছে। 

বর্তমান যুবসমাজ মোবাইলে বিভিন্ন জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েছে তার থেকে যেন ফুটবল খেলার মাধ্যমে খারাপ কাজ থেকে এগিয়ে আসে।

জার্সি স্পন্সর করেছেন করেছেন,ফারিয়া ফ্যাশন জেন্টস ও লেডিস কর্নার, দোকান নাম্বার ১৫ নিচতলা পশ্চিম পার্শ্বে  এস,ডি সিটি সেন্টার আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজার,পেকুয়া  কক্সবাজার। 

সরকারি চাকরির পাশাপাশি নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছে ফুটবলের উন্নয়নে এবং বিভিন্ন সামাজিক কাজে, নিজস্ব অর্থায়নে নিজ এলাকায় প্রতিষ্ঠা করেছেন ফুটবল একাডেমি।এলাকার ছেলেদের মাদক থেকে দুরে রাখতে খেলাধুলার আয়োজন করে নিজ এলাকা ছাড়িয়ে সারা বাংলাদেশে অন্তত সুনাম অর্জন করেছেন।এছাড়াও তিনি পেকুয়া উপজেলা ফুটবল একাডেমির পরিচালক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

উনার দায়িত্বে মগনামা খেলোয়াড় সমিতি ফুটবল টিম অনেক বড় বড় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে চ্যাম্পিয়ন ট্রপি অর্জনে অংশীদার হয়েছে।
মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমির অফিসিয়াল জার্সি উন্মোচন অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মোঃ নুরুল আমিন বলেন,একমাত্র খেলাধুলায় পারে যুব সমাজকে সকল প্রকার অনলাইন জুয়া,নেশা এবং অন্যান্য খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে।

উক্ত অনুষ্টানে আরো উপস্হিত ছিলেন রাজাখালী ফয়জুন নেসা স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাসক মাইনুদ্দিন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন পেকুয়া এসডি সিটি সেন্টারের ফারিয়া ফ্যাশন জেন্স এন্ড লেডিস -এর স্বত্বাধিকারী জনাব খোরশেদুল ইসলাম।

মগনামায় ফুটবল একাডেমি প্রতিষ্টা করে যুব সমাজকে নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করায় মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমির প্রতিষ্টিত পরিচালককে আমন্ত্রিত অতিথিগন ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানায়।