Previous
Next

সর্বশেষ

Wednesday, April 22, 2026

জ্বালানী তেলের জন্য হাহাকার লবণ চাষী

জ্বালানী তেলের জন্য হাহাকার লবণ চাষী

         পেকুয়ায় শংকা এবং ঝুঁকি নিয়েও সাদাস্বর্ণ উৎপাদনে  কারিগররা
 

খোরশেদুল ইসলাম:

পেকুয়া উপজেলার অজানা শংকা ও চরম ঝুঁকি নিয়েও সাদা স্বর্ণ উৎপাদনে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা, উজানটিয়া,রাজাখালী ও পেকুয়া সদরের লবণ চাষীরা। চলিত বছরের লক্ষমাত্রা অর্জনে ঘুম নেই তাদের চোখে । লবণ উৎপাদন করে এ অঞ্চলের অর্থনীতিকে সচল রাখে বিধায় লবণচাষীদেরকে সাদা স্বর্ণের কারিগর এবং লবণকে সাদা স্বর্ণ উপাধি দিয়েছে সচেতন মহলেরা। কিন্তু এ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে জ্বালানী তেলের জন্য  হাহাকার বিরাজ তাদের মাঝে। উপজেলার ৪ ইউনিয়নে প্রায় ১৭  হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদন হয়, চাষীরা লক্ষমাত্রা অর্জনে কাজ করলেও শংকা ও ঝুৃঁকি তাদের পিছু ছাড়ছে না।

 মাঠপর্যায়ে দালাল চক্রের দৌরাত্ম এবং মিল মালিকদের মূল্য কারসাজিতে ঋনের বোঝা চেপেছে মাতার উপর। এর মাঝে চরম অনিশ্চয়তা ভর করছে জ্বালানী তেলের। সরকার নির্ধারিত প্রয়োজনীয় তেল সরবরাহ ও মূল্য নির্ধারণ করলেও ব্যবসায়ী সংকটের অজুহাতে দাম নিচ্ছে লিটার প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা। এরপরেও সরবরাহ দিচ্ছে না প্রয়োজনীয় তেল এ চরম ঝু্ঁকির মধ্যেও অজানা শংকায় শংকিত লবণ চাষীরা।

মঙ্গলবার (২১এপ্রিল) সরেজমিনে মগনামাসহ অন্যান্য ইউনিয়নের লবণচাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রক্তঝরা শ্রমের বিনিময়ে উৎপাদিত লবণের ন্যায্য মূল্য পায় না তারা। দালালের দৌরাত্মে এবং মিল মালিকদের সিন্ডিকেট কারসাজিতে লাভের পরিবর্তে লোকসান ঘাড়ের উপর চেপে বসে। দালালেরা লবণ পরিমাপের সময় ৪০ কেজিতে মণের পরিবর্তে নেন ৬০/৬৫ কেজি। দালালের সাথে পাল্লা দিয়ে মিল মালিকেরা পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই দাম কমিয়ে দেন মণ প্রতি ৮০/৯০ টাকা। বর্তমানে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে জ্বালানী তেলের সংকট ও অগ্রহণযোগ্য তেলের দাম বৃদ্ধি। পেকুয়ায় নিয়োজিত তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্টানগুলো ইচ্ছামত তেলের দাম ও তেল সরবরাহ দিচ্ছে। সময়মত তেল না পাওয়ার দরুণ ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন।

লবণ চাষীরা জানান, আমন ও বোরো চাষে কৃষকেরা সরকার থেকে নানাবিধ সুবিধা পেলেও লবণ চাষীরা হয় বৈষম্যের শিকার। কৃষকেরা যেমন খাদ্য উৎপাদন করে তেমনি আমরাও খাদ্যের সম্পূরক খাদ্য উৎপাদন করি, কিন্তু আমাদের উৎপাদনের কাজে সরকারের কোন দফতর সহায়তা কিংবা তদারকিও করে না। বিগত সরকার কক্সবাজারে লবণ বোর্ড করার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনো বাস্তবায়নের কোন পদক্ষেপ দেখছিনা। চাষীরা দাবী করেন দ্রুত লবণ বোর্ড স্থাপনসহ লবণ চাষের মৌষুম শুরুর সাথে সাথে সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ব্যাংক থেকে ঋন প্রদান কাজ সহজতর করার।

মগনামার লবণ চাষী মনছুর আলম জানান,বিগত বছরে দালাল ও মিল মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতায় ঋনের বোঝা কোন রকমে টেনে আসলেও এ মৌসুমে চরম ঝুঁকিতে পতিত হয়েছি জ্বালানী তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি কারণে। অন্যদিকে পেকুয়ার প্রশাসন তেল ব্যবসায়ীদের উপর কোন প্রকার নজরদারী বা কর্তৃত্ব রাখে না। কক্সবাজার জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন পেকুয়া মগনামা সোনালী বাজার ৪৫ বি পোল্ডার স্লুইস গেইটি গত ৪/৫ বছর যাবত ঝরাজীর্ণ হওয়ার পরও ঠেকসই সংষ্কার না হওয়ায় পূর্ণিমার জোয়ারের পানির স্রোতে ধ্বসে পড়েছে। ফলে জোয়ারের পানিতে বহু কষ্টে উৎপাদিতে লবণসহ বসতবাড়ি তলিয়ে গেল। এ অবস্তা চলতে থাকলে এবং বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকার কারণে বউ বাচ্চা নিয়ে না খেয়ে দিন কাটাতে হবে। এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে পড়বে নেতিবাচক প্রভাব। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তাদের বারবার তাগাদা দেয়ার পরও তারা কোন প্রকার পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আমরা আপনাদের মাধ্যমে স্লুইস গেইট টি স্থায়ী সংষ্কারে বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী মহোদয় ও মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

উজানটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও লবণ ব্যবসায়ী এম, কামাল উদ্দিন জানান, কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করি এ লবণ উৎপাদনে। মগনামার সিংহভাগ লবণ মাঠ জমিদারদের  জমিদারদের কাছে অন্ততঃ এক বছর আগে অগ্রিম টাকা দিয়ে ইজারা নিতে হয়। অগ্রিম টাকা দিয়ে জমি নেয়ার পর চাষের উৎপাদিত লবণের স্তুপ প্রবল জোয়ারের পানির তোড়ে স্লুইস গেইট ধ্বসে লবণ ও বসতবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় বড় আর্থিক ক্ষতিতে পতিত হয়েছি আমরা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ দ্রুত সময়ে স্লুুইস গেইট নির্মাণে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক  জানান,মগনামার ৪এ বি পোল্ডার স্লুইস গেইট মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় ধ্বসে পড়েছে। এটি সংষ্কার করার বিকল্প কোন উপায় নেই বলে জানান কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী। নতুনভাবে স্লুুইস গেইট করার ব্যাপারে ডিসি মহোদয়কে অবহিত করেছি।

কক্সবাজার জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)'র নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব জানান, পেকুয়া উপজেলা মগনামার ৪৫ বি পোল্ডার স্লুইস গেইটটি ধ্বসে পড়ার খবর পেয়েছি।জরুরী প্রকল্পের আওতায় সংষ্কারে ১ মাস আগে ফয়াসল আহমদ চৌধুরী নামে একজন ঠিকাদার নিয়োগ দিয়েছি। নিয়োগকৃত ঠিকাদার আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে না পারলে বিকল্প প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। দ্রুত সময়ে নতুনভাবে নির্মাণের উদ্যোগের ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো।

Tuesday, April 21, 2026

পেকুয়ায় জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

পেকুয়ায় জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

                                পেকুয়ায় জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ 

খোরশেদুল ইসলাম:

কক্সবাজারের পেকুয়ায় দীর্ঘবছরের ভোগদখলীয় জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
গত ১৮ এপ্রিল উপজেলার সদর ইউনিয়নের চৈরভাঙা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এঘটনায় একই এলাকার মৃত রশিদ আহমদের স্ত্রী শাহানা বেগম বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, চৈরভাঙা এলাকার মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে রমিজ উদ্দিন, মোক্তার আহমদের ছেলে মো.ওসমান, ইসমাঈল, ফারুক, আব্দুল করিমের ছেলে নাছির উদ্দিন, আমির হোছাইনের ছেলে খোকন,সোলাইমানের ছেলে নজরুল ইসলাম, আলী আহমদের ছেলে ওয়াজ উদ্দিন ও ওসমানের ছেলে সাকিব হোছেন কে বিবাদী করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মৃত লাল মোহাম্মদ গং এর মেহেরনামা মৌজায় আরএস ৫৩৪ নং খতিয়ানের ৯৫৮ নং দাগের ব/৩৫ এর ৩৫ শতক জমি বিবাদীরা দখল করে ঐ স্থানের শ্রেণী পরিবর্তন করে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে।

ওয়ারিশ সূত্রে রশিদ আহমদের ছেলে হাসান আলী ও আব্দুর রহিম খোকন বলেন, দীর্ঘবছর যাবৎ পরিবার নিয়ে আমরা ঐ জায়গায় বসবাস করে আসছি। সেখানে আমাদের ঘরবাড়ি,মুরগীর খামার,টিউবওয়েল, বিভিন্ন ফলের গাছসহ সীমানাপ্রাচীর ছিল। কিন্তু বিবাদীরা হঠাৎ সন্ত্রাসী কায়দায় রাতের আঁধারে আমাদের ঘরবাড়ি ভাংচুর করে সবাইকে আহত করে ঐ জায়গা দখলে নেয়। পরবর্তীতে শ্রেণী পরিবর্তন করে নিজেদের জায়গা বলে দাবি করে। সেই থেকে এখনো আমরা পরিবারের সকলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এবিষয়ে বিজ্ঞ আদালত, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়ে বহুবার সামাধানের চেষ্টা করে। কিন্তু তারা কখনো কাগজপত্র নিয়ে বসবে বলে বসে না।

মৃত ফজল করিমের ছেলে ছাবের আহমদ বলেন, আমার দাদা লাল মোহাম্মদ, মোহাম্মদ কালু, আব্দুল গণি, আব্দুল ওয়াদুদ, ওজির আলী, ফজর আলী, বুধা গাজী, নজর আলী মেহেরনামা মৌজার আরএস ৫৩৪ নং খতিয়ানের মালিক। তাদের মরণে আমরা ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হই। ১৯১০ সন থেকে আমার পূর্ব পুরুষরা স্থায়ীভাবে নালিশী জমি ভোগদখল করে আসছে। পরবর্তীতে বিএস জরিপের বিরুদ্ধে আমাদের বিজ্ঞ যুগ্ন জজ আদালতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা আছে যার অপর মামলা নং- ১৯/১৯৯৯ ইং। তারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বর্তামানে স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সে কোন সময় ঐ জায়গায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। 

Monday, April 20, 2026

সংষ্কারের নামে নিজেদের পকেট ভারী বিগত সময়ে"‎ঠিকাদার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফেলতিতে স্লুইসগেইট ধস জোয়ারের পানি লোকালয়ে

সংষ্কারের নামে নিজেদের পকেট ভারী বিগত সময়ে"‎ঠিকাদার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফেলতিতে স্লুইসগেইট ধস জোয়ারের পানি লোকালয়ে


 

খোরশেদুল ইসলাম,পেকুয়া:

‎কক্সবাজারের পেকুয়ার মগনামার সোনালী বাজার সংলগ্ন স্লুইসগেইটের ঠিকাদার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তাবাবুদের দায়িত্ব জ্ঞানহীন আচরণে ফের ধসে গিয়ে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেল হাজারেরও অধিক লবণ মাঠ এবং এটির দ্রুত সংষ্কার না হলে উজানটিয়া সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হবে উপজেলা পেকুয়ার।

‎ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন  মগনামা ইউনিয়নের মটকাভামঙ্গা,অঁইরপাড়া,কুমপাড়া, দরদরিয়াঘোনা,চেরাংঘোনা,উজানটিয়ার পেকুয়ার চর,ঘোষাল পাড়া ও ষাটদুনিয়া পাড়ার প্রায় ৪ হাজারের অধিক পরিবার এবং বোরো ধান ও লবণমাঠ। ফলে আর্থিক স্থবিরতায় পড়বে পেকুয়া উপজেলার সাধারণ মানুষসহ ব্যবসায়ীরা। কারণ এসময়ে কৃষি ও লবণ চাষের উপর নির্ভরশীল  উপকুলীয় এ উপজেলা। কৃষিকাজ কিংবা লবণ চাষে উৎপাদন কম হলেই ব্যাপক প্রভাব পড়ে এ অঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষের জীবন যাত্রায়। তাই এ অনিশ্চিত ভবিষ্যত নিয়ে শংকা জানিয়েছেন সাধারণ কৃষক ও লবণচাষীরা।

‎সরেজমিন গেলে স্থানীয় চাষীরা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের গাফেলতিতে ৪১ নং স্লুইসগেইটটি আজ জোয়ারের পানিতে ফের ধসে গিয়ে পানিতে তলিয়ে গেল লবণ মাঠের লবণ। তলিয়ে গেল মগনামার মঠকাভাঙ্গা,চেরাংঘোনা ও দরদরী ঘোনার লবণ মাঠ ও বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি। বিগত কয়েক বছর ধরে বড় ধরণের কোন ভাঙ্গণ হলে জরুরী সংষ্কারের নামে অর্থ লুঠে নিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

‎দ্রুত সংষ্কার করা না হলে অচিরেই আরো ধসে পড়বে এ স্লুইস গেইট, ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হবে পেকুয়া উপজেলার সাথে উজানটিয়া এবং  মগনামার দক্ষিণ ও পূর্ব অংশের জনসাধারণের। এতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের নাগাল পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়বে সাধারণ মানুষের। পতিত হবে নানাবিধ সমস্যায় গত বছর স্থানীয় সরকার অধিদফতরের বরাদ্ধে নামে মাত্র সংষ্কার করা হয়েছিল।

‎মাস খানিক আগে ভরা তিঁতিতে জোয়ারের পানি বেশি হওয়ায় ৪১নং স্লুইস গেইটের উপর দিয়ে পানি প্রবেশ করায় স্লুইস গেইটে ছোট্র আকারের কয়েকটি ছিদ্র হয়, এ ছিদ্রটির সংষ্কারের উদ্যোগ তাৎক্ষণিক নেয়া হলে এত বড় ভাঙ্গন হত না। ছিদ্র হওয়ার বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ স্থানীয় প্রশাসন ও ঠিকাদার ফয়সল চৌধুরীকে জানানো হলেও তারা কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেয়ায় আজ এ ঝুঁকিতে পতিত হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

‎স্থানীয় লবণ চাষী কামাল উদ্দিন মেম্বার জানান, প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি ও স্লুইসগেইট ইজারাদারদের কাম-খেয়ালীপনায় আজকে আমরা বড় ধরণের আর্থিক ঝুঁকিতে পতিত হয়েছি। আল্লাহ না করুক যদি স্লুইট গেইটের বাকি অংশগুলো যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে কোটি টাকার লোকসানে পড়ব।

‎মৎস্যচাষী জয়নাল আবেদীন জানান,ঠিকাদার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলায় আজ আমি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে পড়তে যাচ্ছি। অথচ গত ১ মাস আগে সংষ্কারের দায়ীত্ব পায় মগনামা ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি ফয়সাল আহমদ চৌধুরী। তিনি দ্রুত এ স্লুইস গেইট সংষ্কার কাজ সম্পন্ন না করায় আজকে আমাদের মৎস্য ঘের ও হাজারের অধিক লবণ মাঠের লবণ জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেল এ ক্ষতিটা কে পুঁষিয়ে দেবে,

‎আজকের এ ঘটনার জন্য দায়ীদের  বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানাচ্ছি।

‎সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ফয়সল চৌধুরীর বলেন, একমাস আগে সংস্কার কাজের দায়িত্ব পেয়েছি জোয়ারের পানি ও বালুর সংকট থাকায় কাজ শেষ করতে পারি নাই। আশা করি পানি চলাচল স্বাভাবিক এবং বালু পাওয়া গেলে আগামী ১০/১৫ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারবো।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক শরীফ বলেন,স্লইসগেইট ধ্বসে পড়ার সংবাদ পেয়েছি। আমি সরেজমিনে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ডিসি মহোদয়কে অবগত করব।

‎পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্ব প্রাপ্ত কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার প্রধান প্রকৌশলী অপু দেব এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ৪১ নং স্লুইস গেইট ধসে পড়ার সংবাদ পেয়ে লোক পাঠিয়েছি। গত বছরও ধসে পড়েছিল বিগত এক মাস আগে আমরা সংষ্কারের জন্য ঠিকাদার ফয়সল চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি যথা সময়ে কাজ শেষ না করায় এ সমস্যায় পড়তে হয়েছে, আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে ঠিকাদারের বিষয়ে কঠোর সিদ্ধান্ত নেব।

Sunday, April 19, 2026

পেকুয়ায় মগনামা ইউনিয়নে ৯৩১জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ

পেকুয়ায় মগনামা ইউনিয়নে ৯৩১জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ


 খোরশেদুল ইসলাম,পেকুয়া।

‎কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদে তালিকাভুক্ত ৯৩১ জন জেলের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিজন জেলেকে ৭৫ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়।

‎রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।  সরকারি এই সহায়তা কর্মসূচির আওতায় সামুদ্রিক মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বুলবুল আহমদ এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

‎ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ইউনুচ চৌধুরী বলেন, সরকারী ভাবে সাগরে মৎস্য আহরণ বন্ধ রয়েছ। সাগরে মৎস্য আহরণে বিরত থাকা নিবন্ধিত ও তালিকাভুক্ত জেলে পরিবারের মাঝে পর্যায়ক্রমে সরকারের সহায়তা খাদ্যশস্য (ভিজিএফ) এর চাল বিরতণ করা হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে সরকার নির্ধারিত ৭৫ কেজি করে চাল দেওয়া হয়, যাতে মাছ ধরায় বিরত থাকা অবস্থায় তাদের পরিবার-পরিজনের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য চাহিদা পূরণ হয়।

‎স্থানীয় জেলে মুহাম্মদ জুনায়েদ  বলেন, মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার সময় এ ধরনের খাদ্য সহায়তা তাদের জন্য অনেক উপকারী। এতে পরিবার নিয়ে কিছুটা স্বস্তিতে থাকা যায়।

‎চাল নিতে আসা হামিদা বেগম নামে এক মহিলা বলেন, স্বামী মহিউদ্দিনের নামে জেলে কার্ড আছে। লবণ মাঠে কাজ করার কারণে তিনি আসতে পারেনি। এজন্য আমি নিজেই চাল নিতে আসছি। সরকারের এ সহায়তা আমাদের অনেক উপকার হবে।


‎ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দু রাজ্জাক বলেন, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে তালিকাভুক্ত প্রকৃত জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

‎এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্যনেল চেয়ারম্যান বদিউল আলম, ইউপি সদস্য আমির উদ্দিন, মোকতার আহমদ, কাসেম উদ্দিন, নজরুল ইসলাম,  ছরওয়ার উদ্দিন, মহিউদ্দিন, মনোয়ারা বেগম, আন্জুমান আরা ও সুমি আক্তার। 

Thursday, April 16, 2026

পূর্ব উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা  ও দোয়া মাহফিল

পূর্ব উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল


 খোরশেদুল ইসলাম,পেকুয়া। 

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের পূর্ব উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এর এসএসসি পরীক্ষার্থীদের(২০২৬) বিদায় উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার বার (১৬ এপ্রিল) বিদ্যালয় মিলনায়তনে সকাল ১০টায় অনাড়ম্বর পরিবেশে বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

পূর্ব উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: সোহরাব হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সিনিয়র শিক্ষিকা জিব্রুল ইয়াসমিন এর পরিচালনায় অনুষ্টানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত পাঠ করেন বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাহসিন। সংবর্ধনা অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী সাংবাদিক জালাল উদ্দীন । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক মেহেদী পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক খোরশেদুল ইসলাম।

সংবর্ধনা অনুষ্টানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম। 

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, পূর্ব উজানটিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্টাকালীন সময় থেকে বিদ্যালয়ের প্রতি কিছু কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র লেগেই আছে। বিগত বছর-দূয়েক আগে  বিদ্যালয়ের নামে একটি ৩ তলা ভবন অনুমোদন হয়েছিল। সে ভবনটি অদৃশ্য শক্তির ইশারায় স্থাপিত হতে পারেনি ফলে বহু কষ্টে পাঠদান গ্রহণ করতে হচ্ছে শিক্ষাথীদের। ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রের কারণে শিক্ষকদের বেতন ভাতা পেতে ব্যাগ পেতে হচ্ছে শিক্ষকদের। বক্তারা আরো বলেন, এ বিদ্যালয়ের যেকজন শিক্ষক/শিক্ষিকা আছেন সকলেই মেধাবী ও অনার্স/স্নাতক ডিগ্রিধারী। উজানটিয়ায় যে কয়টি বিদ্যালয় আছে তারমধ্যে এ বিদ্যালয়ের সকল  শিক্ষকেরাই গ্রাজুয়েশন করা মেধাবী শিক্ষক। সুতরাং এ বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া ছাত্র-ছাত্রীরাই পাবে মান-সম্মত যুগোপযোগী শিক্ষা। 

সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রীতিভোজের আয়োজন ছিল প্রশংসনীয়। এ আয়োজনটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাব চৌধুরীর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সর্বোচ্ছ সহযোগিতায় সমাপ্ত হওয়ায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা আরো বলেন, সোহরাব হোসেন স্যারের মতো শিক্ষকেরা আছেন বলেই আমরা সু-শিক্ষিত হওয়ার সোপান পাচ্ছি। আমরা প্রধান শিক্ষক মহোদয়সহ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক/শিক্ষিকাদের অবদানের কথা ভূলতে পারবো না এবং আজীবন কৃতজ্ঞচিত্বে স্মরণ করে যাবো স্যারদের।

Wednesday, April 15, 2026

পেকুয়ায় দফায় দফায় লবণ মাঠের পলিথিন কেটে তাণ্ডব

পেকুয়ায় দফায় দফায় লবণ মাঠের পলিথিন কেটে তাণ্ডব


খোরশেদুল ইসলাম,পেকুয়া।

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় লবণ মাঠে দফায় দফায় পলিথিন কেটে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। এতে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। ১২ ও ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুনঘোনা এলাকার বাসিন্দা রেহেনা বেগম ও তার প্রতিবেশী শওকত আলীর মধ্যে লবণ মাঠের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে এবং থানা-আদালতে মামলা-মোকদ্দমা চলমান রয়েছে।

‎অভিযোগ রয়েছে, পূর্ব বিরোধের জেরে গত রবিবার গভীর রাতে শওকত আলীর লোকজন রেহেনা বেগমের প্রায় ১৪ শতক লবণ মাঠের পলিথিন কেটে নষ্ট করে দেয়। পরদিন সোমবার রাতেও একই কায়দায় রেহেনার বড় ভাই রেজাউল করিমের প্রায় ৬০ শতক জমির পলিথিন কেটে দেওয়া হয়।

‎ভুক্তভোগী রেজাউল করিম বলেন, আমার বোনের সঙ্গে শওকত আলীর জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতন করা হচ্ছে। জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে। এর প্রতিবাদ করায় আমাদের লক্ষ্য করে এ ধরনের তাণ্ডব চালানো হচ্ছে। শওকত আলী, তার ভাই মুহাম্মদ কালু, আখতার, জাকের হোসেন এ ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত।

‎তিনি আরও বলেন, লবণ চাষই আমাদের একমাত্র আয়ের উৎস। পলিথিন কেটে দেওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এর আগেও কয়েক দফা একই ঘটনা ঘটেছে, এতে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।

‎রেহেনা বেগম বলেন, দীর্ঘদিনের খরিদা জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু জায়গা থেকে শওকত আলী গং আমাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। লবণ মাঠে টংঘর করে পাহারা দিলেও পলিথিন রক্ষা করা যাচ্ছে না। বাধা দিতে গেলে অস্ত্রের ভয় দেখানো হয়।

‎স্থানীয়রা জানান, চলমান বিরোধের জেরে যেকোনো সময় বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে।

‎এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Monday, April 13, 2026

পেকুয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাত করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে

পেকুয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাত করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে


খোরশেদুল ইসলামঃ

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় এক যুবককে ছুরিকাঘাত ও মারধর করে নগদ দুই লক্ষ টাকা ও হাতের ঘড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৬ টার দিকে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দশেরঘোনা জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত যুবকের নাম লোকমান হাকিম (২৪)। তিনি একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনঘোনা এলাকার ওমান প্রবাসী বেলাল উদ্দিনের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তার বাম চোখের উপরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর জখম রয়েছে।

আহত লোকমান হাকিম বলেন, বিকেলে তিনি নিজ বাড়ি থেকে দুই লক্ষ টাকা নিয়ে অটোরিকশাযোগে বারবাকিয়া ইউনিয়নের ফাঁশিয়াখালী সবজীবন পাড়া এলাকায় নানার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে দশেরঘোনা জামে মসজিদের কাছে পৌঁছালে সুজাঙ্গীরের নেতৃত্বে তার ভাই আলমগীর, জাহাঙ্গীর,আজম উদ্দিনের ছেলে সাইফুল, রিদুয়ান, গুরা মিয়া, আব্দু ছালামের ছেলে মান্নান, মাহমুদুল করিম,  নতুনঘোনার ফজল করিমের ছেলে মামুনসহ ৮ থেকে ১০ জন লোক গাড়ি গতিরোধ করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে

নগদ টাকা ও হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কয়েকদিন আগে একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে তার ছবি ব্যবহার করে সুজাঙ্গীরের নামে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি জানান, ওই আইডির সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. কালু বলেন, লোকমান আমার ভাতিজা। হামলার সময় আমরা দশেরঘোনা ব্রিজ স্টেশনে ছিলাম। খবর পেয়ে গিয়ে তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি।

তিনি আরও বলেন, হামলাকারীদের সঙ্গে তাদের পরিবারের জমি-সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হামলা হতে পারে। কিছু দিন আগেও আমার ভাই শওকত আলীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করেছে। তিনি বলেন, হামলাকারী নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তারা এখনও বীরদর্পে এলাকায় নানান অপরাধ কর্মকাণ্ড সংঘটিত করে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খাইরুল আলম জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।