Previous
Next

সর্বশেষ

Thursday, April 2, 2026

পেকুয়ার আবু তাহের চৌধুরী বাচ্চু মিয়ার মৃত্যুতে  শোক জানিয়েছেন আজিম উদ্দিন

পেকুয়ার আবু তাহের চৌধুরী বাচ্চু মিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন আজিম উদ্দিন


কক্সবাজার জেলার রামু কৃতি সন্তান এএসএম আজিম উদ্দিন  এর বন্ধু চট্টগ্রাম কলেজ ৮৭ ব্যাচের  অন্যতম সংগঠক ফরহাদ চৌধুরীর বাবা পেকুয়া জমিদার বাড়ির আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরীর ২য় পুত্র ও পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি  আবু তাহের চৌধুরী (৮৫) ( প্রকাশ বাচ্চু মিয়া),  আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা ১০ মিনিটে পেকুয়াস্থ নিজ বাসবভনে ইন্তেকাল করেছেন( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 

‎দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রখ্যাত জমিদার পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক আইন পরিষদের সদস্য, সাবেক এমএলএ মরহুম আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরীর মেজ সন্তান আলহাজ্ব আবু তাহের চৌধুরী বাচ্চু মিয়া (৮৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।
‎আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা ১০ মিনিটে পেকুয়াস্থ নিজ বাসবভনে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
‎তিনি বিএনপি কক্সবাজার জেলা শাখার সহ সভাপতি ও পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
‎মৃত্যুকালে তিনি এক স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই কন্যা সন্তান, নাতি, নাতনি, আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ রাত সাড়ে আটটায় পেকুয়া জমিদার বাড়ি জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
শোকের মুহূর্তে সঠিক শব্দ খুঁজে পাওয়া কঠিন
 আজিম উদ্দিন বলেন আপনার এই অপূরণীয় ক্ষতিতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ আপনাকে ও আপনার পরিবারকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণ করার শক্তি দিন।
প্রিয় বন্ধু ফরহাদ চৌধুরীর বাবার  মৃত্যুর সংবাদটি শুনে আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম। তিনি একজন অত্যন্ত অমায়িক মানুষ ছিলেন, আল্লাহ উনার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
শোক প্রকাশ করার মতো কোনো ভাষা আমার জানা নেই। শুধু এই টুকুই বলবো, এই দুঃসময়ে আমি এবং আমার পরিবার আপনার পাশে আছি।
প্রিয়জনের বিচ্ছেদ সহ্য করা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরীক্ষা আল্লাহ যেনো তোমাদের পরিবারকে এই শোক সইবার মানসিক ক্ষমতা দান করেন।
 তিনি আরো বলেন উনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন ঠিকই, কিন্তু ওনার রেখে যাওয়া আদর্শ স্মৃতি আমাদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকবে।তোমাদের পরিবারের এই কঠিন সময়ে আমার গভীর সমবেদনা গ্রহণ করুন যেকোনো প্রয়োজনে আমাকে আপনার পরিবারের পাশে পাবেন।
 মৃত্যু জীবনের এক অমোঘ নিয়ম, মহান আল্লাহ তোমাদের  প্রিয়জনকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন


 একজন ভালো মানুষকে হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব ওনার অভাব আমরা প্রতি মুহূর্তে অনুভব করবো।
 আমি জানি কোনো সান্ত্বনাই আপনার মনের কষ্ট কমাতে পারবে না, তবুও রবের কাছে প্রার্থনা করি, যেনো তিনি আপনার হৃদয়ে প্রশান্তি ফিরিয়ে দেন। মানুষের জীবন প্রদীপের মতো। একদিন নিভে যায় তবে ওনার ভালো কাজের আলো আমাদের পথ দেখাবে আজীবন

শোকবার্তায়,
এএসএম আজিম উদ্দিন 
সহসভাপতি কক্সবাজার জেলা সমিতি , চট্টগ্রাম ।
সাবেক সভাপতি , ১৮শ বিসিএস এসোসিয়েশন , চট্টগ্রাম বিভাগ । 
স্থায়ী সদস্য - চিটাগাং সিনিয়রস ক্লাব লিঃ  কক্সবাজার ক্লাব লিঃ.


Wednesday, April 1, 2026

ডিজিটাল মগনামা গড়তে চেয়ারম্যান পদে ভোট করবেন খোরশেদুল ইসলাম

ডিজিটাল মগনামা গড়তে চেয়ারম্যান পদে ভোট করবেন খোরশেদুল ইসলাম

ডিজিটাল মগনামা গড়তে চেয়ারম্যান পদে ভোট করবেন খোরশেদুল ইসলাম 

পেকুয়া প্রতিনিধিঃ 

কক্সবাজারের পেকুয়ার মগনামা ইউপিতে ভোট করবেন তারুণ্যের অহংকার ক্লিন ইমেজের খোরশেদুল ইসলাম। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি মগনামা ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন। একই সাথে আগামী প্রজন্মের জন্য উন্নত মগনামা ইউনিয়ন গড়তে মগনামার জনগনকে একসঙ্গে কাজ করার আহবানও করেছেন সম্ভাব্য এ প্রার্থী। জানিয়েছেন মগনামাকে নিয়ে যুগপৎ ও দৃঢ পরিকল্পনার কথাও। তিনি চান এ মগনামার আর্থ সামাজিক অবস্হার পরিবর্তন। দীর্ঘ সময় থেকে মগনামাকে নিয়ে তার স্বপ্ন আছে। ভাবনা ও স্বপ্নের বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে খোরশেদ নির্বাচনে অংশ নিতে দৃঢ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 

চলতি ২০২৬ সালের আগস্ট-সেপ্টম্বরের দিকে সারাদেশে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হাওয়ার  সম্ভাবনা রয়েছে। নব গঠিত সরকার ইউপি নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে। এতেকরে ভোট নিয়ে এলাকায় মানুষের মাঝে আলোচনাও শুরু হয়ে গেছে। চলছে ভোট নিয়ে আগাম ভাবনা ও  বিশ্লেষণ। এ থেকে পিছিয়ে নেই উপকূলীয় মগনামা ইউনিয়নের ভোটাররাও। তারাও ভোট ও প্রার্থী নিয়ে কথা বার্তা চালাচ্ছেন।

এদিকে খোরশেদুল ইসলাম প্রার্থী হচ্ছেন এ খবর ইতিমধ্যে মগনামায় চাউর হয়েছে, জানা জানি হয় এ ইউনিয়নের সর্বত্রে মাঝে। এ খবরটিতেই মগনামায় সৃষ্টিতে মানুষের মাঝে  হয়েছে  নতুন চমক । তাকে নিয়ে বেড়েছে উচ্ছ্বাস ও  আগ্রহ। উৎপল্ল হতে দেখাগেছে ভোটারদেরও। প্রতিক্রিয়ায় অনেকে বলেন পরিবর্তনের জন্য খোরশেদের বিকল্প নেই। আমরা তাকে নিয়ে এগোবো এবার। আমাদের দৃষ্টিতে খোরশেদ হবেন সৎ যোগ্য, ন্যায়পরায়ন ও মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন প্রার্থী। সুতরাং তিনি প্রার্থী হলেই তাকেতো আমরা ভোট দিবই।

 আমরা চাই মগনামার পরিবর্তন। অনেক ক্ষেত্রে আমাদের এ মগনামা ইউনিয়ন অবহেলিত। আছে উন্নয়ন সমস্যা। রয়েছে ন্যায় বিচারের ভোগান্তি। মাদক ও জুয়া থেকে সমাজকে মুক্ত করতে হবে। এসবে নতুনদের নিয়ে তো চিত্তাকর্ষক ভাবনার প্রয়োজন আছে বলে আমরা মনে করি।
এ দিকে মগনামায় মহুরীপাড়ার খোরশেদুল ইসলাম অত্র ইউপিতে বেশ পরিচিত মুখ, সর্বস্তরের মানুষের সাথেই তার সম্পর্ক অনেক পুর্ব থেকে মানুষের দুঃখ দুর্দশার সব সময় মানুষ তাকে কাছে পেয়েছেন। প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময়ও তিনি মানুষের পাশে ছিলেন, করেই যাচ্ছেন অসহায় মানুষকে সহযোগিতা চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন অর্থ সংকটে রােগীকে। 

একজন শিক্ষানুরাগী হিসাবে মগনামার আর্থ সামাজিক পরিবর্তনে খোরশেদের অবদান আছে। বিশেষ করে শিক্ষা প্রসার ও দারিদ্র্য বিমোচন খাতে তার মেধা শ্রম আছে। তিনি নিজেই একজন উচ্চ শিক্ষিত। পড়ালেখা শেষে বিনোয়োগ করেন আর্থ কর্মসংস্থান খাতে। কে আই এগ্রো ফার্ম নামে তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে মুরগী পালন ডিম উৎপাদন খামারে তার প্রসার হয়।  মৎস্য ও প্রানিসম্পদ খাতের একজন সফল ব্যবসায়ীও তিনি। ১৯৯৫ সালে মগনামা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস,এস,সি তাছাড়া ১৯৯৮ সালে কক্সবাজার সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি ও ২০০০ সালে সাতকানিয়া জাফর আহমদ চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ থেকে বিকম পাশ করেন খোরশেদ। 
পরবর্তীতে তিনি জাগরণ আদর্শ শিক্ষা নিকেতন নামের বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করেন, এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে খোরশেদ মগনামায় শিক্ষা বিস্তারে অবদান রাখেন। বাঁধন নামে একটি সমবায় প্রতিষ্ঠান সূচনা হয় মগনামায়। এ অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান থেকে বেকার যুবকদের অর্থ সহায়তাও দিতে সক্ষম ছিলেন খোরশেদ। আছে ধর্মীয় শিক্ষাও তার প্রেরনা। মগনামা মহুরীপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও আজিজিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি দায়িত্বেও পালন করছেন তিনি।
খোরশেদুল ইসলামের পিতা রশিদ আহমদ কোম্পানি মগনামায় পরিচিত ছিলেন বাবা ছিলেন কক্সবাজার শহরের সুনামধন্য ব্যবসায়ী। উত্তর নুনিয়াছড়ায় বিএম এন্টারপ্রাইজ নামক প্রতিষ্ঠান আছে। মৎস্য প্রক্রিয়াকরনে এ প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক ছিল মাছের উপকরণ সরবরাহ। ১৯৮০ সাল থেকে রশিদ আহমদ কোম্পানি এখানে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেন, খোরশেদের পিতাও বিত্তশালী হন এ ব্যবসা থেকে। পিতাও সবসময় অসহায় মানুষের জন্য সহযোগিতা করে গেছেন, অভাব অনটনে থাকতেন দূর্বল মানুষের পাশে। চেয়ারম্যান প্রার্থী খোরশেদ ও মরহুম পিতার দেখানো সেই নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করেই যাচ্ছেন। রশিদ কোম্পানির বড় সন্তান খোরশেদুল ইসলাম, তারা ৪ ভাই,২বোন। ৩ ভাই থাকেন প্রবাসে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থান করছেন দুই ভাই। 

ছোট ভাই শহিদুল ইসলাম আইন নিয়ে সেখানে  পড়াশোনা করেছেন আইন, শিক্ষা ও আর্তজাতিক সম্পর্ক নিয়ে শহিদ সেখানে কাজ করে। আরেক ভাই মোর্শেদুল ইসলামও লন্ডনে আছেন। অপর ছোট ভাই তৌহিদুল ইসলাম থাকেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আবুধাবিতে, তিনিও দুবাইতে ব্যবসা করেন। নির্বাচন নিয়ে পরিবারের সকলের আছে সমর্থন বড় ভাইকে ভোট করতে ছোট ভাই বোনদের সাহস ও অনুপ্রেরণা রয়েছে। 

তারা সবসময় বড় ভাই খোরশেদের ওপর আস্থা রাখেন।
এব্যাপারে খোরশেদুল ইসলাম বলেন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ভোট করব। মহান আল্লাহ দয়া করেন সব ঠিক থাকলে আমি ইনশাআল্লাহ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবো। জনগনেই আমার শক্তি। আগামী প্রজন্মের জন্য উন্নত মগনামা ইউনিয়ন গড়তে আসুন সবাই একসঙ্গে কাজ করি। 

Saturday, March 28, 2026

চট্টগ্রামে গ্রেফতার এড়াতে ডোবায় লাফ, ৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার যুবক

চট্টগ্রামে গ্রেফতার এড়াতে ডোবায় লাফ, ৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার যুবক

চট্টগ্রামে পুলিশের ধাওয়ায় একটি ডোবায় লাফ দিয়ে কাদায় আটকে যান এক যুবক। এরপর গ্রেফতার করতে গেলে আত্মহত্যার হুমকিও দেন তিনি। এর প্রায় ৫ ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ওই যুবককে জীবিত উদ্ধার করে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে নগরের হালিশহর থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার স্কাইভিউ টাওয়ারসংলগ্ন একটি ডোবায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার মো. রুবেলের বিরুদ্ধে মাদক, ছিনতাই ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ অন্তত আটটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় দুপুর ১২টার দিকে রুবেলকে ধরতে অভিযান চালায় হালিশহর থানা পুলিশ। এ সময় একটি দোকান থেকে ধাওয়া দিলে তিনি দৌড়ে পাশের একটি ভবনে উঠে যান এবং পরে সেখান থেকে নেমে ডোবায় লাফ দিলে কাদায় কোমর পর্যন্ত আটকে পড়ে তিনি বের হতে পারছিলেন না।

একপর্যায়ে তার স্ত্রী ছাতার আড়ালে একটি ধারালো রামদা এনে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে রামদা হাতে নিয়ে তিনি পুলিশকে ভয় দেখাতে থাকেন এবং আত্মহত্যার হুমকিও দেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়। তবে রামদা হাতে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় দীর্ঘ সময় বুঝিয়ে প্রায় ৫ ঘণ্টা পর তাকে ডোবা থেকে ওঠানো হয়।

এ বিষয়ে হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুহাম্মদ সুলতান আহসান উদ্দিন জানান, গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে গেলে রুবেল পালিয়ে ডোবায় পড়ে যান এবং পরে আত্মহত্যার হুমকি দেন। শেষে পরিবারের মাধ্যমে বোঝানোর পর তাকে উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে।

Wednesday, March 25, 2026

পেকুয়ায় ঠেকানো গেলনা ছাত্রদল নেতার জমির জবর দখল

পেকুয়ায় ঠেকানো গেলনা ছাত্রদল নেতার জমির জবর দখল



খোরশেদুল ইসলাম, পেকুয়া :

পেকুয়ায় সাবেক ছাত্রদল নেতার জমির জবর দখল ঠেকানো গেলনা,  পেশী শক্তি নিয়ে একদল দূবৃর্ত্তরা ছাত্রদল কক্সবাজার জেলা শাখার সাবেক সহ-সভাপতির ভোগ দখলীয় ও মালিকানাধীন ফসলি জমিতে হানা দেয়। এ সময় ভীতি ও আতংক ছড়িয়ে জমিতে অনুপ্রবেশসহ জবর দখল প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে।
এ দিকে ৩.৩৩ শতক জায়গা নিয়ে উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটায় দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করেছে,বিরোধীয় জায়গা নিয়ে চকরিয়া সিনিয়র সহকারী  জজ আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে মামলা চলমান রয়েছে। গ্রাম আদালতে রায় প্রচার আছে দু'পক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয়ভাবে বৈঠক হয়, শালিলি রোয়েদাদও দেওয়া আছে।  তবে এসব কিছু না মেনেই ছাত্রদলের এ নেতার জমি কুক্ষিগত করেছে প্রভাবশালী চক্রের।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের তেলিয়াকাটায় ৩.৩৩ শতক জায়গা নিয়ে স্থানীয় মৃত মাস্টার আবদুচ সাত্তারের পুত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কক্সবাজার জেলা শাখার সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্রদল শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: আলাউদ্দিনের সাথে একই ইউনিয়নেরঃ সিকদার পাড়ার চাঁদ মিয়ার পুত্র শাহজানের মধ্যে বিরোধ চলছিল। যার বি.এস ৪৪২ দাগের আন্দরে  ৩.৩৩ শতক জায়গা মৃত আনজু মিয়ার রেখে যাওয়া প্রায় ১০ জন ওয়ারিশ থেকে তাদের প্রাপ্ত অংশ বিগত ০৪-১১- ২০২৫ সালে ২২৭৭ নং কবলামূলে আলা উদ্দিনকে বিক্রি করে।

  সেই সময় থেকে এ জায়গা আলা উদ্দিনের ভোগ দখলসহ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়, পরবর্তীতে খরিদ মালিক আলা উদ্দিনের নামে সৃজিত বি.এস ২০২৬ নং খতিয়ান প্রচার আছে। অপরদিকে একই অংশ থেকে মৃত আনজু মিয়ার দুই ওয়ারিশ আবু বক্কর ও লাল মিয়া থেকে সিকদারপাড়ার চাঁদ মিয়ার পুত্র শাহজাহানও ২ শতক মতো জমি ০৯-০১-২০২৫ ইংরেজি ১৪১১ দলিল মূলে খরিদ করে। শাহজাহান সেখানে বাড়িও নির্মাণ করেছেন,তিনিও পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছেন।  অভিযোগ উঠেছে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারী শাহজাহানসহ তার অনুগত লোকজন নিয়ে ছাত্রদলের সাবেক নেতা ও দুবাই প্রবাসী আলা উদ্দিনের খরিদকৃত ভোগ দখলীয় জমিতে হানা দেয় এ সময় তারা ফসলি জমিতে ঘেরাবেড়া দিয়ে জবরদখল চেষ্টা চালায়। শাহজাহানের পাকা বাড়ির লাগোয়া পূর্ব পাশের এ জমি আলা উদ্দিনের ভোগ দখলে ছিল। জবর দখলের কুমানসে শাহজাহান এ কান্ড করেছে বলে আলা উদ্দিনের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন।

জমি নিয়ে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারী আদালতে ২৩৮/৩৬ সিআর মামলা রুজু করা হয়, আলাউদ্দিনের বড় ভাই পল্লী চিকিৎসক আলমগীর বাদী হয়ে শাহজাহানকে বিবাদী করা মামলা করা হয়, এ ছাড়াও পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে ৫৬৪/২৪ মামলা রুজু করে। কাগজপত্র পর্যালোচনাসহ একাধিক শুনানির পর ২০২৪ সালের ৯ই জানুয়ারি গ্রাম আদালত রায় দেন এতে আলাউদ্দিনের অনুকুলে জমির স্থিতি নির্দিষ্ট করনের জন্য আদেশে বলা হয়। শাহজাহানকে ওই জমির জবর দখল থেকে বিরত থাকতে বলা হয়  একই বিষয়ে সালিসি বৈঠক হয়। সিকদারপাড়ার জাফর আলম, সাবেক সদস্য শাহ জামাল, জালাল উদ্দীনসহ সালিসি প্রতিনিধিরা রোয়েদাদ প্রচার করে। এ রায়ও আলা উদ্দিনের কাগজপত্র ও স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

এমনকি শাহজাহানকে জমিতে অনুপ্রবেশে নিষেধ করে, এ ব্যাপারে আলা উদ্দিনের বড় ভাই আলমগীর বলেন-এ জমি আমার ভাইয়ের ভোগ দখলীয় সম্পত্তি। আমরা শান্ত প্রকৃতির মানুষ তবে চরম ভাবে অন্যায় হচ্ছে আমাদের উপর। আমি ও আমার ভাই বিএনপির নিবেদিত কর্মী। মন্ত্রী মহোদয়ের দু:সময়ে কাছে থেকেছি, উনার প্রতি আহবান করছি যারা এ অন্যায়ের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হউক। সৌদি আরব প্রবাসি মুঠোফোনে আলা উদ্দিন বলেন- আমি প্রবাসে আছি এ সুবাদে শাহজাহান আমার জায়গা জবরদখল করে রেখেছে। শাহজাহান ক্রয় করছে ১ গন্ডার মতো জমি আমি ক্রয় করেছি ৩.৩৩ শতক। সে নিয়েছে ২'জন থেকে কবলা। আর আমি একই খতিয়ানের আনজু মিয়ার ১০ জন ওয়ারিশ থেকে কবলা নিয়েছি।

আমার কবলার সব সম্পত্তি শাহজাহান জবর দখল করে রেখেছে  অনেক বছর বাকস্বাধীনতা রুদ্ধ ছিল। এখন আমাদের দল রাস্ট্রীয় ক্ষমতায় কেন আমরা অবিচার ও জুলুমের শিকার হব। আমি কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলাম ছাত্রদলের চট্টগ্রাম আইন কলেজে। দুর্দিনের কর্মী হিসেবে শহীদ জিয়ার আদর্শের অনুসারীদের অনুরোধ করব আসুন এখনো যারা আমাদেরকে হয়রানি ও জুলুম করছে এদেরকে প্রতিহত করি। ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে এক হতে হবে সকলকে। পেকুয়া থানার ওসি খায়রুল আলম জানান, কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি, লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tuesday, March 24, 2026

 মাদক বিরোধী অভিযানে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন পুলিশ কর্মকর্তা

মাদক বিরোধী অভিযানে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন পুলিশ কর্মকর্তা



খোরশেদুল ইসলাম, 

কক্সবাজারের চকরিয়ার মাদক বিরোধী অভিযানে গিয়ে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার হারবাং বাস ষ্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া পুলিশ কর্মকর্তা হলেন হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রুপন কান্তি দে (৪৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সূএে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তি তে চিন্হিত মাদক ব্যবসায়ী কে আটক করতে অভিযানে যান হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির একটি টিম। অভিযান শেষে হারবাং বাস ষ্টেশনে অসুস্থতা অনুভব করলে এএসআই রুপন কান্তি দে কে দ্রুত বরইতলী নতুন রাস্তার মাথা মা ও শিশু হাসপাতালে এবং পরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ডা. জায়নুল আবেদীন জানান, সন্ধ্যা সাতটার দিকে এএসআই রূপন কান্তি দেকে হাসপাতালে আনা হলে তিনি মৃত ছিলেন। তার শরীরে প্রাথমিকভাবে কোনো আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রয়োজন হতে পারে বলে জানান তিনি। এদিকে সহকর্মীর এমন অবস্থা দেখে বিহ্বল হয়ে সঙ্গে থাকা অপর এক পুলিশ সদস্যও জ্ঞান হারান।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, হারবাং স্টেশনের একটি দোকানে অবস্থানকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন এএসআই রূপন এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

এদিকে, রূপন কান্তি দে আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। তার নিকটাত্মীয় ও কাপ্তাই প্রেসক্লাব-এর সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্ত জানান, অতীতে তিনি একাধিকবার স্ট্রোক করেছিলেন এবং তার হার্টে রিং বসানো হয়েছিল।

​মগনামায় জমজমাট সেমিফাইনাল: মুখোমুখি সূর্যমুখী আদর্শ ক্লাব ও মুনতাহা স্পোর্টিং ক্লাব

​মগনামায় জমজমাট সেমিফাইনাল: মুখোমুখি সূর্যমুখী আদর্শ ক্লাব ও মুনতাহা স্পোর্টিং ক্লাব


 

​নিজস্ব প্রতিবেদক, পেকুয়া (মগনামা) | ২৪ মার্চ, ২০২৬

​উপকূলীয় অঞ্চলের ফুটবল প্রেমীদের দৃষ্টি আগামীকাল বুধবার মগনামা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের দিকে। বুধবার (২৫শে মার্চ) বিকেলে এই ঐতিহাসিক মাঠে অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ম্যাচ। যেখানে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে শক্তিশালী সূর্যমুখী আদর্শ ক্লাব (সাত ঘর পাড়া) এবং তুখোড় ফর্মে থাকা মুনতাহা স্পোর্টিং ক্লাব (সোনালী বাজার)।

​ম্যাচের চালচিত্র

​সাত ঘর পাড়ার প্রতিনিধিত্বকারী 'সূর্যমুখী আদর্শ ক্লাব' তাদের জমাট রক্ষণভাগ এবং মাঝমাঠের সমন্বয়ে টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত অপরাজিত রয়েছে। অন্যদিকে, সোনালী বাজারের 'মুনতাহা স্পোর্টিং ক্লাব' পরিচিত তাদের আক্রমণাত্মক ফুটবল ও গতিময় স্ট্রাইকারদের জন্য। দুই দলের এই দ্বৈরথকে স্থানীয় ফুটবল বিশ্লেষকরা "রক্ষণ বনাম আক্রমণের লড়াই" হিসেবে দেখছেন।

​মাঠের প্রস্তুতি ও দর্শক উন্মাদনা

​ম্যাচটি ঘিরে মগনামা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

দুই দলের সমর্থকরা ঘরে বাইরে,বাজার-ঘাটে একটাই আলোচনা কোন দলে কে কে খেলতেছে,কোন দল জিতবে।আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেমিফাইনাল ম্যাচটি পরিচালনা করবেন অভিজ্ঞ রেফারিবৃন্দ এবং দর্শকদের সুবিধার্থে মাঠে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

​আয়োজক কমিটির বক্তব্য: সভাপতি মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেন "আমরা আশা করছি একটি সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে বুধবারের এই মহারণ অনুষ্ঠিত হবে। দুই দলের জন্যই শুভকামনা রইল।"


​ম্যাচ হাইলাইটস:

​ম্যাচ: সেমিফাইনাল

​দলসমূহ: সূর্যমুখী আদর্শ ক্লাব বনাম মুনতাহা স্পোর্টিং ক্লাব

​ভেন্যু: মগনামা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ

​তারিখ: ২৫ শে মার্চ, ২০২৬

সময়: বিকেল ৩:৩০ মিনিট 


​বিকেলের এই রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে কোন দল ফাইনালের টিকিট হাতে পায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

​প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত থাকবেন মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ চৌধুরী।

Sunday, March 22, 2026

​মগনামায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ‘সোনালী অতীত’ টিমের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

​মগনামায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ‘সোনালী অতীত’ টিমের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, মগনামা | ২২ মার্চ, ২০২৬

​পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নিতে এবং পুরনো স্মৃতিকে রোমন্থন করতে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক মনোজ্ঞ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। স্থানীয় বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মগনামা এলিট ফুটবল একাডেমির পরিচালক মোরশেদ এর উদ্যোগে আয়োজিত এই ম্যাচে সাবেক তারকা ফুটবলারদের মিলনমেলায় পরিণত হয় মগনামা উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠ।

​খেলার বিবরণ

​ঈদের বিকেলে মগনামার স্থানীয় খেলার মাঠে গোলাপী ও নীল মিশ্রিত বিশেষ জার্সি পরে মাঠে নামেন সোনালী অতীত টিমের সদস্যরা। মূলত বর্তমান প্রজন্মের কাছে ফুটবলের গৌরবোজ্জ্বল অতীত তুলে ধরতে এবং নিজেদের শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়।

​অংশগ্রহণকারী: ম্যাচে মগনামা এলাকার সাবেক খ্যাতিমান ফুটবলাররা অংশগ্রহণ করেন।

​পরিবেশ: ঈদের আমেজ থাকায় মাঠের চারপাশ ছিল উৎসুক দর্শকদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ। প্রবীণ খেলোয়াড়দের পায়ে ড্রিবলিং আর নিখুঁত পাস দেখে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো গ্যালারি।

​সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড

দল গোল সংখ্যা ফলাফল

মগনামা সোনালী অতীত (একাদশ) ৫ গোল

মগনামা যুব একাদশ ৩ গোল

সোনালী অতীত জয়ী হয়।

​"মাঠের লড়াই বড় কথা নয়, ঈদের এই দিনে সবাই একসাথে হতে পেরেছি এবং খেলাধুলা করতে পেরেছি—এটাই আমাদের বড় সার্থকতা।" - সোনালী অতীত টিমের জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় সাইফুল আজিজ বাদশা।

​খেলায় ম্যাচ রেফারি দায়িত্ব পালন করে আশেক বিন জলিল। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এই আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরণের উদ্যোগ মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং তরুণ প্রজন্মকে মাঠমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।