Previous
Next

সর্বশেষ

Saturday, February 14, 2026

চকরিয়া-পেকুয়াবাসীকে নবনির্বাচিত সালাহউদ্দিনএর  কৃতজ্ঞতা

চকরিয়া-পেকুয়াবাসীকে নবনির্বাচিত সালাহউদ্দিনএর কৃতজ্ঞতা

 


                            এই বিজয় জনগণের স্বাধিকার পুনরুদ্ধারের দলিল

খোরশেদুল ইসলাম,পেকুয়াঃ

কক্সবাজার-১(চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এক আবেগঘন বার্তায় ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের ভেরিফাই ফেইসবুক পেইজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই বিজয়কে কেবল ব্যক্তিগত জয় নয়, বরং জনগণের স্বাধিকার ও হারানো মর্যাদা পুনরুদ্ধারের এক 'ঐতিহাসিক দলিল' হিসেবে অভিহিত করেছেন।

​বিবৃতিতে তিনি বলেন, চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরি ও পৌরসভার প্রতিটি স্তরের সম্মানিত ভোটারবৃন্দ এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের লড়াকু নেতাকর্মীদের অদম্য সাহস ও দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল এই বিজয়। যারা আমাকে বিশ্বাস করেছেন এবং মূল্যবান ভোট দিয়ে আস্থা রেখেছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধা।


​​বিজয় পরবর্তী আচরণ কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে নেতা-কর্মীদের কঠোর বার্তা দিয়েছেন এই নবনির্বাচিত প্রতিনিধি। তিনি বলেন, বিনয় হোক বিজয়ের অলংকার। বিজয় আমাদের উদ্ধত করে না বরং দায়বদ্ধ করে তোলে। কোনো প্রকার কৃত্রিম উন্মাদনায় না মেতে আমাদের মহান রবের দরবারে শুকরিয়া আদায় করতে হবে। ক্ষমতা যেন আমাদের মোহাচ্ছন্ন না করে বরং জনসেবাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য।

​অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার

​নির্বাচনী লড়াই শেষে এখন সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার অধ্যায় আজ সমাপ্ত। এখন সময় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণের। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রদর্শিত রাজনৈতিক সৌজন্য ও অভিনন্দন বার্তাকে আমি সাধুবাদ জানাই। রাজনীতিতে এই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের সংস্কৃতি অব্যাহত রাখার অঙ্গীকারও করেন তিনি।

​৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার মহিমান্বিত গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের পবিত্র রক্ত ও আত্মত্যাগের মর্যাদা সমুন্নত রাখা হবে জাতীয় দায়িত্ব।

​ শহীদদের স্বপ্নের ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত গণতান্ত্রিক সংগ্রাম চলবে।

মতাদর্শিক ভিন্নতা এবং সুস্থ বিতর্ক থাকবে, কিন্তু দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জাতি হবে এক ও অবিভাজ্য।

​পরিশেষে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাবেন। একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও মর্যাদাবান রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।

কক্সবাজার-১  বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত সালাহউদ্দিন আহমদ

কক্সবাজার-১ বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত সালাহউদ্দিন আহমদ


 খোরশেদুল ইসলাম.পেকুয়াঃ

কক্সবাজার-১ আসনে বিশাল ভোট ব্যবধানে জয়  পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য  সালাহউদ্দিন আহমদ। চকরিয়া ও পেকুয়ার  ১৭৭টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৬ ভোট পেয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে তার ব্যবধান দাঁড়ায় ৯৫ হাজার ৮৪০ ভোট।

 বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে চকরিয়া ও পেকুয়ার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যে এই চিত্র পাওয়া যায়। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুখ পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭২৬ ভোট। শুরুতে ৭৪টি কেন্দ্রের ফলাফলেও সালাহউদ্দিন বড় ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন পরে সব কেন্দ্রের ফলাফলে সেই ব্যবধান আরও বাড়ে।

কক্সবাজার-১ আসনটি চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত। এখানে মোট ভোটার ৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৬৮ জন, এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৯০ হাজার ২৭৫ এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ জন। ভোটের দিন কেন্দ্রগুলোতে ধীরে ধীরে ভোটার আসতে শুরু হলেও বেলা বাড়ার  সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে থাকে।

সালাহউদ্দিন আহমদ এর আগে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার চতুর্থবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন তিনি। স্থানীয়রা বলছেন, “এলাকার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কই তার পক্ষে বড় শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে” দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, এটি জনসমর্থনের সুস্পষ্ট প্রতিফলন।

বিশ্লেষকদের মতে, বড় ব্যবধান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে আসনটিতে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি এখনো শক্ত, প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও ভোটের ব্যবধানে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

Friday, February 13, 2026

কক্সবাজার-১ আসনে বিপুল সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন সালাহউদ্দীন আহমেদ

কক্সবাজার-১ আসনে বিপুল সংখ্যক ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন সালাহউদ্দীন আহমেদ


খোরশেদুল ইসলাম.পেকুয়া। 

 ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬–এ কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) সংসদীয় আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ। দীর্ঘদিন পর এই আসনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং ব্যাপক জনসমর্থনের মাধ্যমে তিনি পুনরায় জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পেলেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ১৭৭টি ভোটকেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল সমন্বয়ের পর তার বিজয় নিশ্চিত হয়। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলে। দিনভর কোথাও বড় ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমদ পেয়েছেন মোট ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুখ পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭২৬ ভোট। এতে ৯৫ হাজার ৮৪০ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হন সালাহ উদ্দিন আহমদ।

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে এবারের মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৬৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৯০ হাজার ২৭৫ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ জন। সকাল থেকেই নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, যা ভোটের চিত্রকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

নির্বাচন ঘিরে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। ভোটগ্রহণ শেষে বিজয় নিশ্চিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সন্ধায় পর থেকে আনন্দ মিছিল বের করেন। তবে দলীয় নেতারা সংযম বজায় রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, সালাহ উদ্দিন আহমদ এর আগে ষষ্ঠ ও সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ষাট হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদ (সিআইপি) কে পরাজিত করে চারদলীয় ঐক্যজোট সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। যোগাযোগ খাতে তার বিভিন্ন উন্নয়ন উদ্যোগ এখনো এই অঞ্চলের মানুষের মাঝে আলোচিত।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কক্সবাজার-১ আসনে এই বিজয় বিএনপির জন্য শুধু একটি আসন জয় নয়, বরং এটি চকরিয়া-পেকুয়া অঞ্চলে দলের সাংগঠনিক শক্তি ও জনভিত্তির দৃঢ়তার প্রতিফলন। তারা মনে করছেন, এই ফলাফল জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে।

Thursday, February 12, 2026

ভোটের মাধ্যসে ইতিহাসের বাক বদলানো শুরু হয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমেদ

ভোটের মাধ্যসে ইতিহাসের বাক বদলানো শুরু হয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমেদ


 নিজস্ব প্রতিবেদক:

 কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে সকালেই কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ভোটগ্রহণ শুরুর কিছুক্ষণ পরই তিনি পেকুয়া উপজেলা সদরের সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রে ভোট দেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ২০ মিনিটের দিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পরপরই ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে নিজের ভোট দেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমদ ও পুত্র সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, “ইতিহাসের বাক বদলানো শুরু হয়েছে। আমি লাইনে সবার শেষে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছি। এখানে মানুষ এখন নিজের ভোটাধিকার নিয়ে সচেতন। এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ সুন্দর ও স্বাভাবিক রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন ও আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় আমরা গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই।”

উল্লেখ্য, কক্সবাজার-১ আসন থেকে সালাহউদ্দিন আহমদ এর আগে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে এ আসনের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

Wednesday, February 11, 2026

কক্সবাজারে পোস্টাল ভোটার গননা ১২ ফেব্রুয়ারী

কক্সবাজারে পোস্টাল ভোটার গননা ১২ ফেব্রুয়ারী

পেকুয়ার আলো ডেক্সঃ

 কক্সবাজার, ১০ ফেব্রুয়ারি,২০২৬ (বাসস) : ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে মোট ২৮ হাজার ৬৩০টি পোস্টাল ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। 

দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী, সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবী এবং কারাবন্দীরা প্রথমবারের মতো অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে এ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এসব পোস্টাল ভোটের ফলাফল প্রকাশ করা হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটার পর।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও পোস্টাল ভোট কার্যক্রমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইরফান উল হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চারটি আসন থেকে সর্বমোট ২৮ হাজার ৬৩০টি পোস্টাল ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। 

আসনভিত্তিক হিসাবে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ৯ হাজার ৬৩৫টি, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে ৪ হাজার ২১২টি, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে ১০ হাজার ৯১৭টি এবং কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে ৩ হাজার ৮৬৬টি পোস্টাল ভোট পড়েছে। চারটি আসনের মধ্যে সর্বাধিক পোস্টাল ভোট পড়েছে কক্সবাজার-৩ আসনে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটার পর এসব পোস্টাল ভোট গণনা করা হবে। নিয়মিত ভোট গণনার আদলেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এ লক্ষ্যে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতি ৩০০ ভোটের জন্য একজন করে সহায়ক কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রার্থীরা চাইলে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে কিংবা এজেন্ট নিয়োগের মাধ্যমে ভোট গণনা কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়া সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, স্ক্যানিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাচাই শেষে ব্যালট বাক্স খোলা হবে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে ভোট গণনা সম্পন্ন করা হবে। পাশাপাশি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য আলাদা ব্যালটও গণনা করা হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ—বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও ওমান ছাড়াও মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা পোস্টাল ভোট প্রদান করেছেন।

একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে কর্মরত সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী এবং কারাবন্দীরাও এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তবে কোন দেশ থেকে কতটি ভোট এসেছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Tuesday, February 10, 2026

স্বাধীনতা বিরোধীদের মুখে মুক্তিযুদ্ধের বিকৃত ইতিহাস শোনা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বড়ই দুর্ভাগ্য- সালাহউদ্দিন আহমদ 

স্বাধীনতা বিরোধীদের মুখে মুক্তিযুদ্ধের বিকৃত ইতিহাস শোনা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বড়ই দুর্ভাগ্য- সালাহউদ্দিন আহমদ 


 খোরশেদুল ইসলাম.পেকুয়া। 


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য  ও কক্সবাজার-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন বলেছেন, আগামী ১২ তারিখ সুষ্টু ভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হবে এবং সারা দেশের মানুষ বিশ্বাস করে এদেশের মানুষের ভোটে বিএনপির সরকার প্রতিষ্ঠা হবে ইনশাআল্লাহ। সরকার প্রতিষ্ঠা হলে ১৩ই ফেব্রুয়ারী থেকেই এদেশের উন্নয়ন শুরু হবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে,১২ ফ্রেবুয়ারীর নির্বাচনে বিএনপির জয় হলে ১৩ তারিখ থেকে দেশে উন্নয়ন শুরু হবে। 
 
তিনি আজ সোমবার বিকেলে চকরিয়া উপজেলার চকরিয়া বাসষ্টেশনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী শেষ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তবর্তীকালিন সরকারের কিছুটা দুর্বলতার সুযোগে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছিলো কিন্ত সব দোষ বিএনপির উপর দিয়ে একটা দল প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছে বিএনপির বিরুদ্ধে। ভোটের পরদিন থেকে দলের কেউ অন্যায়ের সাথে জড়িত থাকলে তাদের বিচার করা হবে বলেও জানান বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। 

জামায়াত ইসলামীর সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যারা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিলো তারা আজ স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে টানাহেঁচড়া শুরু করেছে। মুক্তিযুদ্ধের বিকৃত ইতিহাস বলা শুরু করছে এবং স্বাধীনতার ঘোষককে নিয়ে বিতর্ক করছে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে ভাড়ায় এনে। অথচ তারাই একাত্তরে মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছিলো আমাদের দেশের মা-বোনদের পাকহানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিলো । তিনি বলেন, তাদের মুখে এই বিকৃত ইতিহাস শোনা আমাদের দেশের ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বড়ই দুর্ভাগ্য।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরো বলেন, আমাকে হত্যার উদেশ্যে গুম করা হয়েছিলো, দেশের মানুষ দোয়া করেছে মহান আল্লাহ আমাকে বাচিঁয়ে রেখেছেন, আমি বাকি জীবনও এদেশের মানুষের সেবা করতে চাই এদেশের উন্নয়ন করতেই চাই। আমি মনে করি আমার জন্মই হয়েছে এদেশের মানুষের উন্নয়ন করার জন্য, সুশাসন প্রতিষ্টা করার জন্য এবং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য। তিনি বলেন, আল্লাহ আমাকে নতুন জীবন দান করছেন, আমি মনে করি এটা আমার বর্ধিত হায়াত এই বাকি হায়াতে আমি আপনাদের সেবা করতে চাই এদেশের উন্নয়ন করতে চাই, যে স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন দিয়েছিলো এবং গণঅভ্যুন্থানে আমাদের সন্তানেরা শহীদ হয়েছিলো সেই বাংলাদেশ বির্নিমাণ করতে চাই। 

তিনি আরো বলেন, বিএনপি এমন দেশ বির্নিমাণ করতে চায় যেখানে আর ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাউকে রক্ত দিতে হবেনা, কোনো গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানবাধিকার আদায়ের জন্য রক্ত দিতে হবেনা।
সুশাসন, বৈষম্যহীন, ন্যায় বিচার ও মানুষের সমঅধিকার প্রতিষ্টার বাংলাদেশ বির্নিমাণ করার জন্য ধানের শীষে ভোট চান বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। 

এসময় সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী এডভোকেট হাসিনা আহমদ, তাদের পুত্র সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামিম আরা স্বপ্না, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, মাতামুহুরি সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, জেলা ওলামা দলের আহবায়ক আলী হাছান চৌধুরীসহ বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

Monday, February 9, 2026

পেকুয়ায় ধানের শীষের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদ গনমিছিলে জনসমুদ্র

পেকুয়ায় ধানের শীষের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদ গনমিছিলে জনসমুদ্র

ভোটাধিকার প্রয়োগে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান- সালাহউদ্দিন আহমেদ


খোরশেদুল ইসলাম.পেকুয়া। 

পেকুয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্বাচনী গণমিছিলে মানুষের  ঢল নেমেছে রাস্তায় তিলধরনের দাড়ানোর যায়গা ছিলো না। সকাল থেকে উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা মিছিলে বাস ট্রাক ও নানান পরিবহন যোগে আসতে থাকে। কারো কাছে ছিলো প্লে-কার্ড, কারো কাছে সালাহউদ্দিন আহমদ এর ছবি ও আবার কারো কাছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি কেউ আবার নাচগানে ধানের শীষ নিয়ে ভোট চাইছেন।

রোববার বিকেলে পেকুয়া আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরীর বাজার থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বানৌজা সড়ক হয়ে পেকুয়া সাকুরপাড় স্টেশনে গিয়ে পথসভায় মিলিত হয়৷

এই গণমিছিলে নানান শ্রেণী পেশার উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো স্থানীয়রা ধারণা করছেন প্রায় লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছে।

পেকুয়া উপজেলা বিএনপি আয়োজিত এই গণমিছিলের সম্মুখ ভাগে ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমদ, মিছিলটিতে মানুষের উপস্থিতি পেকুয়ার অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতন মহল।


মিছিল শেষে পথসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারী ধানের শীষে সবাইকে ভোট দেয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, পেকুয়া বাজার থেকে মিছিল শুরু করে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে বানৌজা সড়ক হয়ে পেকুয়া সাকুরপাড় স্টেশন পর্যন্ত এসে পৌঁছান নেতাকর্মীরা, দীর্ঘ পথের এই কর্মসূচিতে সবাই ক্লান্ত হলেও নেতাকর্মীদের প্রতি তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, “আজ ৮ তারিখ সর্বশেষ পেকুয়া উপজেলার নির্বাচনী প্রচারণার শেষ গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে, আগামীকাল বিকাল ২টায় চকরিয়া বাস টার্মিনালে আমাদের নির্বাচনী শেষ জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। আশা করি, আপনারা সবাই যেভাবে পারেন সেখানে উপস্থিত থেকে আমাদের শক্তি ও সাহস জোগাবেন।”

নির্বাচনী আচরণবিধির কথা উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আগামীকাল রাতের মধ্যেই সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম শেষ হবে। ১০ তারিখ সকাল ৮টার মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণার সময়সীমা শেষ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, নেতাকর্মীদের মধ্যে যে উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা তিনি দেখেছেন, তাতে ইনশা আল্লাহ সারা বাংলাদেশের মতো এখানেও ধানের শীষ বিপুল ও রেকর্ডসংখ্যক ভোটে বিজয়ী হবে।

ভোটের দিন নেতাকর্মীদের করণীয় সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রত্যেককে নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে এবং ফলাফল হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র ছাড়বে না। একই সঙ্গে শান্তি বজায় রাখা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করা এবং ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের অনিয়ম যেন না হয় সেজন্য সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, মা-বোনেরা যেন নির্ভয়ে নিজেদের পরিচয় দিয়ে ভোট দিতে পারেন, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গত ১৬ থেকে ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। ইনশাআল্লাহ, এবারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি নতুন যাত্রা শুরু করবে এবং একটি শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, দেশের জনগণের অধিকার নিশ্চিত করা হবে এবং এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে উঠবে, যেখানে আর কখনো রক্ত দিতে হবে না।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি সবাইকে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেউ ঘরে বসে থাকবেন না। এরপর তিনি গণমিছিলের সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন।

এসময় সাবেক সংসদ সদস্য ও সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী এডভোকেট হাসিনা আহমদ, তাদের পুত্র সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক জেড এম মুসলেম উদ্দিন , উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু, কেএম সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরান জাদীদ মুকুট, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আহছান উল্লাহ সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সোহেল আজিম, পেকুয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নুরুল ইসলামসহ বিএনপির ও অঙ্গ, সহযোগী সংগঠনের সকল স্থরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।